রাজভবনে সামরিক ইউনিটগুলিকে সম্মাননা: রাজ্যপালের হাতে সম্মানিত ৩৫ অসম রাইফেলস ও ৬৩৭ সাটা ব্যাটারি

ছবি
  মণি দেবনাথ আগরতলা, ত্রিপুরা আগরতলা: ১১ই মে রাজভবন (লোক ভবন)-এ আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ‘ইউনিট অ্যাপ্রিসিয়েশন’ অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মাননীয় রাজ্যপাল Indra Sena Reddy Nallu ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলসের বিশিষ্ট ইউনিটগুলিকে তাদের বীরত্ব ও অসামান্য পরিষেবার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রশংসাপত্র’ প্রদান করে সম্মানিত করেন। সচিব ইউ.কে. চাকমা ও ব্রিগেডিয়ারের বক্তব্য অনুষ্ঠানের সূচনায় রাজ্যপালের সচিব U.K. Chakma বিশেষ বক্তব্য রাখেন। তিনি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এরপর ২১ সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সামরিক আধিকারিকরা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, কীভাবে এই ইউনিটগুলি সীমান্ত সুরক্ষা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং নাগরিক সহায়তামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ব্রিগেডিয়ার সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে জাতীয় সুরক্ষার প্রতি তাঁদের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্মানিত ইউনিটগুলি অসামান্য কর্মদক্ষতার জন্য রাজ্যপাল নিম্নলিখিত ইউনিটগুলিকে প্রশংসাপত্র ও পুরস্কার প্রদান করেন— ৩৫ অসম রাইফ...

নিয়তির কাছে হার মানতে হলো কঠোর পরিশ্রমী রিক্সা চালক শংকরকে

 BELONIA CORRESPONDENT

     
 নিয়তির এই কি নিষ্ঠুর পরিহাস। সকালে ঘুম থেকে ওঠে দুমুঠো অন্ন যোগানোর আশায় রিক্সা নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে বাজারে এলেন রিস্কা চালক শংকর, কিন্তু সহ্য হলো না সেটা ভগবানেরও। নিয়তির খেলায় অকালে পর পারে চলে যেতে হল সকলের পরিচিত কঠোর পরিশ্রমী রিক্সা চালক শংকর দেবনাথকে। জানা যায় প্রতিদিনের ন্যায় পরিবার পরিচালনা এবং দুমুঠো অন্ন যোগানের জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এক নং টিলা বাজারে নিজের রিক্সায় বসে যখন যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, হঠাৎ কখন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন কেউ টেরই পায়নি। প্রতিদিনের ন্যায় অনেকক্ষণ একইভাবে নিজের রিক্সার উপর পায়ের উপর পা তুলে বসে থাকতে দেখে দুই একজন সহকর্মী এবং পরিচিত ব্যক্তিরা ডাকাডাকি করার পর শঙ্করের কোন ধরনের সাড়া না পেয়ে সকলের সন্দেহ হয় শঙ্করের কিছু একটা হয়েছে। সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় বিলোনিয়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীদেরকে, ছুটে আসে বিলোনিয়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা এবং সাথে সাথে শংকরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বিলোনিয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শংকরকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানিয়ে দেন শংকর আর নেই।

 হতবাক সকলে এমন একজন কঠোর পরিশ্রমের রিক্সা চালক কি করে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে অকালে পরপারে চলে গেলেন কেউ ভাবতে পারছেন না তা। রিক্সা চালক শঙ্করের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিলোনিয়ার বিধায়ক দীপঙ্কর সেন ছুটে যান মহকুমা হাসপাতালে। শংকরের মৃত্যুতে বিধায়ক গভীর শোক জ্ঞাপন করেন এবং আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খোদ মায়ের যন্ত্রনায় আত্মহননের পথ বেছে নিল এক সাংবাদিক

দুই বন্ধুর জোড়া খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত ঝুটন চৌধুরী'কে আদালতে প্রেরণ

মনু নদীতে তলিয়ে যাওয়া যুবক ধর্মনগরের, উদ্ধার দেহ

अगरतला के प्रतापगढ़ विधानसभा क्षेत्र में अवैध रुप से बांग्लादेशियों के बसने की खबर

পঞ্চম নগর কান্ডে স্থানীয়দের পথ অবরোধ, বিক্ষোভস্থলে জেলা ও মহকুমা শাসক