রাজভবনে সামরিক ইউনিটগুলিকে সম্মাননা: রাজ্যপালের হাতে সম্মানিত ৩৫ অসম রাইফেলস ও ৬৩৭ সাটা ব্যাটারি

ছবি
  মণি দেবনাথ আগরতলা, ত্রিপুরা আগরতলা: ১১ই মে রাজভবন (লোক ভবন)-এ আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ‘ইউনিট অ্যাপ্রিসিয়েশন’ অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মাননীয় রাজ্যপাল Indra Sena Reddy Nallu ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলসের বিশিষ্ট ইউনিটগুলিকে তাদের বীরত্ব ও অসামান্য পরিষেবার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রশংসাপত্র’ প্রদান করে সম্মানিত করেন। সচিব ইউ.কে. চাকমা ও ব্রিগেডিয়ারের বক্তব্য অনুষ্ঠানের সূচনায় রাজ্যপালের সচিব U.K. Chakma বিশেষ বক্তব্য রাখেন। তিনি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এরপর ২১ সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সামরিক আধিকারিকরা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, কীভাবে এই ইউনিটগুলি সীমান্ত সুরক্ষা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং নাগরিক সহায়তামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ব্রিগেডিয়ার সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে জাতীয় সুরক্ষার প্রতি তাঁদের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্মানিত ইউনিটগুলি অসামান্য কর্মদক্ষতার জন্য রাজ্যপাল নিম্নলিখিত ইউনিটগুলিকে প্রশংসাপত্র ও পুরস্কার প্রদান করেন— ৩৫ অসম রাইফ...

'স্বপ্ন ছোঁয়া'-র স্বপ্ন মুছতে হবে আর্তদের আঁখি জল

 


উত্তম সিনহা, 24.08.2024

নাম স্বপ্ন ছোঁয়া। একটি সামাজিক সংগঠন যা ত্রিপুরার বুকে আর্ত পীড়িতদের বুক ভরা আর্তনাদ  শোনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বহু বছর ধরে। প্রয়োজনে নিজেদের পকেট কেটে হলেও ওই সেবা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়নি স্বপ্ন ছোঁয়া।

নিজেদের ঘরে বন্যার জল ঢুকেছে তবুও তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। আগে ছুটতে হবে আর্তদের সাহাযার্থে। এই মানসিকতা নিয়েই কাজ করে চলেছে স্বপ্ন ছোঁয়ার স্বেচ্ছাসেবক সহ সেবিকারা। যেখানে এনজিও খুলে তার অন্তরালে অর্থ কামাইয়ের ধান্ধায় মেতেছে একাধিক সামাজিক সংগঠনের নামে মুখোশধারীরা, সেখানে ওই স্বপ্ন ছোঁয়ার ভলান্টিয়াররা আপন মনে কাজ করে চলেছেন নিজেদের পকেট কেটে। যদি কোন ব্যক্তি বিশেষ বা অন্য কোন সমাজ দরদী তাদেরকে সাহায্য করেন, সেটাই তাদের কাছে অফুরন্ত তৃপ্তি। শনিবার কৈলাসহর মহকুমা শাসক কার্যালয়ে হঠাৎ করে দেখা মিলল ওই স্যগঠনের ভলান্টিয়ারদের সাথে। কয়েকজন এসেছেন মহকুমা শাসকের হাতে রাখি পড়িয়ে সৌভ্রাতৃত্বের এক অটুট বন্ধন স্থাপিত করতে। সঙ্গে ছিলেন মহকুমা শাসকের একাধিক পদাধিকারীরা। সবাইকেই রাখি পড়িয়ে বরণ করতে চাইলেন তারা। 

এরই মধ্যে এই চ্যানেলের সংবাদদাতার উপস্তিতে তারা বেজায় খুশি। এক পলক দেরি না করে সাংবাদিকের হাতে রাখি বেঁধে দিলেন একজন ভলান্টিয়ার। কপালে তিলক মাথায় খই দেওয়া সহ ভাইয়ের মঙ্গল প্রার্থনা করলেন। শেষে পা ছুঁয়ে আশীর্বাদও নিলেন। এ যেন এক অমৃত ক্ষণ ছিল। 

শেষে মহকুমা শাসকের সাথে সাড়িতে দাঁড়িয়ে ফটোশুটের পালা। অন্তিম লগ্নে এসে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন সংস্থার একাধিক ভলান্টিয়ারগণ। 




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খোদ মায়ের যন্ত্রনায় আত্মহননের পথ বেছে নিল এক সাংবাদিক

দুই বন্ধুর জোড়া খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত ঝুটন চৌধুরী'কে আদালতে প্রেরণ

মনু নদীতে তলিয়ে যাওয়া যুবক ধর্মনগরের, উদ্ধার দেহ

अगरतला के प्रतापगढ़ विधानसभा क्षेत्र में अवैध रुप से बांग्लादेशियों के बसने की खबर

পঞ্চম নগর কান্ডে স্থানীয়দের পথ অবরোধ, বিক্ষোভস্থলে জেলা ও মহকুমা শাসক