দুর্নীতি কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না চরিলাম মণ্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথকে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
দুর্নীতি কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না চরিলাম মণ্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথকে
নিজস্ব প্রতিনিধির রিপোর্ট
ধর্ম বর্ণ রাজনীতি নির্বিশেষে সাধারণ চরিলামবাসীর কাছে জিষ্ণু দেববর্মন ছিলেন দেবতুল্য রাজ নেতা, কিন্তু মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথের বিভিন্ন দুর্নীতির কারণে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছিল ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে। এরপরেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির জাদুর বলে রাজকুমার দেবনাথকেই চরিলাম মন্ডল সভাপতি দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে। বিজেপি বরাবরই বলে আসছে দলের কার্যকর্তাকে হতে হবে সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মী। কিন্তু দলে থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে দলকে কালিমা লিপ্ত করতে রাজ্যের একাংশ বিজেপি নেতাই ইদানিং উঠে পড়ে লেগেছে। ঠিক একই ভাবে দলের অন্যান্য কর্মীরাই চরিলাম মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন।
চরিলাম বিধানসভার অন্তর্গত আড়ালিয়া এলাকার একটি অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে, আর স্ব-দলীয় কর্মীরাই মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলে অভিযোগ করছেন। ওই এলাকায় অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের কর্মী নিয়োগের কথা ছিল স্বদলীয় এক মহিলাকে, যে মহিলাকে দলের পক্ষ থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী চাকরি দেওয়ার নামে আশায় বসিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিরোধীদল তথা সিপিআইএম-এর এক নেতার বাড়িতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর চাকরি বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করলেন শাসক দলেরই এলাকার এক কর্মী। শুধু চরিলেমের আড়ালিয়াতেই নয়, চরিলাম বিধানসভার বেশ কয়েকটি অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির অভিযোগ উঠে এসেছে।
জানা গেছে, চরিলাম বিধানসভার উত্তর ব্রজপুর এলাকার এক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে আরো এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে। এক নাবালিকা মেয়েকে অঙ্গনওয়াড়ি শিক্ষিকার চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে খবর । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথ বর্তমানে তার নিজ বাড়িতে থাকতে পারছে না ভয়ে। সন্ধ্যার পর চরিলামের কোন অঞ্চলে নাকি ভয়ে প্রবেশ করছে না। বর্তমানে তিনি সন্ধ্যা হতেই চলে যান আগরতলার বাধারঘাটে, সেখানেই বর্তমানে রাত কাটাতে হচ্ছে মন্ডল সভাপতিকে। এই মন্ডল সভাপতি ২-৪ জন সঙ্গী নিয়ে আগরতলায় বসেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে হাফ্তা আদায় করছে বলে অভিযোগ। চরিলামে কান পাতলা শোনা যায় মন্ডল সভাপতি ও উনার কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গদের ভয়ে ঠিকাদারেরা কাজ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে। বর্তমানে গোটা চরিলামবাসী এই ধরনের দুর্নীতি থেকে মুক্তি চাইছে। এখন দেখার বিষয় হলো চরিলামের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি প্রদেশ কমিটি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।I
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন