রাজভবনে সামরিক ইউনিটগুলিকে সম্মাননা: রাজ্যপালের হাতে সম্মানিত ৩৫ অসম রাইফেলস ও ৬৩৭ সাটা ব্যাটারি

ছবি
  মণি দেবনাথ আগরতলা, ত্রিপুরা আগরতলা: ১১ই মে রাজভবন (লোক ভবন)-এ আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ‘ইউনিট অ্যাপ্রিসিয়েশন’ অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মাননীয় রাজ্যপাল Indra Sena Reddy Nallu ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলসের বিশিষ্ট ইউনিটগুলিকে তাদের বীরত্ব ও অসামান্য পরিষেবার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রশংসাপত্র’ প্রদান করে সম্মানিত করেন। সচিব ইউ.কে. চাকমা ও ব্রিগেডিয়ারের বক্তব্য অনুষ্ঠানের সূচনায় রাজ্যপালের সচিব U.K. Chakma বিশেষ বক্তব্য রাখেন। তিনি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এরপর ২১ সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সামরিক আধিকারিকরা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, কীভাবে এই ইউনিটগুলি সীমান্ত সুরক্ষা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং নাগরিক সহায়তামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ব্রিগেডিয়ার সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে জাতীয় সুরক্ষার প্রতি তাঁদের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্মানিত ইউনিটগুলি অসামান্য কর্মদক্ষতার জন্য রাজ্যপাল নিম্নলিখিত ইউনিটগুলিকে প্রশংসাপত্র ও পুরস্কার প্রদান করেন— ৩৫ অসম রাইফ...

ডেলিভারি কর্মী প্রসেনজিৎ সরকারের মৃত্যু কাণ্ডে তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

From left to right: accused Sourabh Bhatt, Sangita Bhatt, Sushmita Bhatt

ধর্মনগর থেকে ভানু চন্দের রিপোর্ট

১৮ ডিসেম্বর : গত ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার ধর্মনগর কামেশ্বর ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার যুবক ও বেসরকারি ডেলিভারি সংস্থার কর্মী প্রসেনজিৎ সরকারের মর্মান্তিক মৃত্যুকে ঘিরে অবশেষে বড় সাফল্য পেল উত্তর জেলা পুলিশ।

জানা যায়, ডেলিভারি পার্সেলের ওটিপি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মূল অভিযুক্ত সংগীতা ভট্টাচার্যের সঙ্গে প্রসেনজিৎ সরকারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। অভিযোগ, এরপর সংগীতা ভট্টাচার্য, সুস্মিতা ভট্টাচার্য, সৌরভ ভট্টাচার্য, মেঘদীপ ভট্টাচার্য ও পিউ ধর—এই পাঁচজন মিলে প্রসেনজিতের কর্মস্থলে এসে তাকে মারধোর করে। সেই মারধরের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই প্রসেনজিৎ সরকার নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার পরদিন তাঁর বাড়ির পাশেই একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ধর্মনগর সহ গোটা ত্রিপুরাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

প্রসেনজিতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। মৌন মিছিল, বিক্ষোভ মিছিল, স্মরণ সভা থেকে শুরু করে থানা ঘেরাও—কোন প্রতিবাদই বাদ যায়নি।অবশেষে জনসাধারণের লাগাতার আন্দোলনের চাপে পড়ে ঘটনার চার দিনের মাথায় উত্তর জেলা পুলিশ ও ধর্মনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মীনা দেববর্মার নেতৃত্বে জেলার চুরাইবাড়ি আসাম সীমান্ত এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে তিন অভিযুক্ত—সুস্মিতা ভট্টাচার্য, সংগীতা ভট্টাচার্য ও সৌরভ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ধৃত তিন অভিযুক্তকে জেলা আদালতে পেশ করা হয়। অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করার সম্ভাবনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আদালত চত্বরে ভিড় করেন বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।সরকারি আইনজীবী বিশ্বজিত দাস জানান, জেলা দায়রা আদালতের বিচারপতি দেবলীনা কিলীকদার তিন অভিযুক্তকে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পুলিশকে জেল হেফাজতেই অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


YOUTUBE LINK: https://youtu.be/hLgN13vzM1Q

FACEBOOK LINK: https://www.facebook.com/share/v/1G4AyXYUEh/

 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খোদ মায়ের যন্ত্রনায় আত্মহননের পথ বেছে নিল এক সাংবাদিক

দুই বন্ধুর জোড়া খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত ঝুটন চৌধুরী'কে আদালতে প্রেরণ

মনু নদীতে তলিয়ে যাওয়া যুবক ধর্মনগরের, উদ্ধার দেহ

अगरतला के प्रतापगढ़ विधानसभा क्षेत्र में अवैध रुप से बांग्लादेशियों के बसने की खबर

পঞ্চম নগর কান্ডে স্থানীয়দের পথ অবরোধ, বিক্ষোভস্থলে জেলা ও মহকুমা শাসক